❏ ফরজ নামাজের পর উচ্চস্বরে দোয়া করা


রাসূলে পাক (ﷺ) ফরজ নামাজের পর উচ্চস্বরে দোয়া করতেন। যেমন এ সম্পর্কে নিচের হাদিসটি লক্ষ্য করুন, 


ইমাম মুসলীম, ইমাম বায়হাক্বী, ইমাম নাসাঈ, ইমাম আহমদ (رحمة الله عليه) প্রমূখ বর্ণনা করেছেন,

أَخْبَرَنَا أَبُو زَكَرِيَّا، وَأَبُو بَكْرٍ، وَأَبُو سَعِيدٍ، قَالُوا: حَدَّثَنَا أَبُو الْعَبَّاسِ قَالَ: أَخْبَرَنَا الرَّبِيعُ قَالَ: أَخْبَرَنَا الشَّافِعِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُحَمَّدٍ قَالَ: حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ الزُّبَيْرِ، يَقُولُ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِذَا سَلَّمَ مِنْ صَلاتِهِ يَقُولُ: بِصَوْتِهِ الأَعْلَى: لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لا حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ، وَلا نَعْبُدُ إِلا إِيَّاهُ، لَهُ النِّعْمَةُ، وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لا إِلَهَ إِلا اللَّهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ 

-“আবী যুবাইর হতে বর্ণিত, নিশ্চয় তিনি আব্দুল্লাহ ইবনে জুবাইর (رضي الله عنه) কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেছেন: রাসূলে পাক (ﷺ) নামাজ থেকে বের হওয়ার পর উচ্চ আওয়াজে বলতেন: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লে শায়ইন কাদির, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়ালা না’বুদু ইল্লা ইয়্যাহু লাহু নে’মাতুল ফাদ্বলু ওয়ালাহু ছানাউ হাছানু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলেছিনা লাহুদ দ্বীন অলাও কারিহাল কাফিরুন।”

(সহীহ্ মুসলীম, ১ম খন্ড, ২১৮ পৃঃ; ইমাম বায়হাক্বী: মারেফাতুস সুনান ওয়া আছার, হাদিস নং ৩৮৯৩; সুনানে আবী দাউদ; নাসাঈ শরীফ, ১ম জি: ১৫০ পৃঃ; মুসনাদে আহমদ, ৫ম খন্ড, ৪ পৃঃ; মেসকাত শরীফ; ৮৮ পৃঃ হাদিস নং ৯৬৩; ইমাম মোল্লা আলী: মেরকাত শরহে মেসকাত, ৩য় খন্ড, ৩৬ পৃঃ;) 


এই হাদিস দ্বারা স্পষ্ট প্রমাণিত হয়, ফরজ নামাজের পর দোয়া উচু আওয়াজে বলতে হবে এবং ফরজ নামাজের পর উচু আওয়াজে দোয়া করা সুন্নাত। সুতরাং ফরজ নামাজের পরে উচু আওয়াজে দোয়া করলে পরবর্তীতে অংশগ্রহণ কারী নামাজীদের সমস্যা হয় এরূপ কথা বলার অবকাশ নেই, কারণ  بِصَوْتِهِ الأَعْلَى স্বয়ং আল্লাহর নবী (ﷺ) উচ্চ আওয়াজে দোয়া করেছেন। রাসূলে পাক (ﷺ)’র অনুসরণ করা আমাদের জন্য আবশ্যক এবং রাসূল (ﷺ)’র কোন আমলের সমালোচনা করা প্রকাশ্য কুফূরী।

Top